Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

সিটিজেন চার্টার

বিভাগীয় শ্রম দপ্তর, খুলনা

 

ক্রঃ নং

প্রদত্ত সেবা

সেবা গ্রহণে ইচ্ছুক ব্যক্তি/সংগঠন/প্রতিষ্ঠানের করনীয়

সেবা প্রদানে নিয়োজিত কার্যালয়

১।

ট্রেড ইউনিয়ন ও ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের রেজিষ্ট্রেশনঃ

 

 

 

(ক) ট্রেড ইউনিয়নের রেজিষ্ট্রেশন

* কোন ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন তার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরে রেজিষ্ট্রিকরণের জন্য আইনের সংশ্লিষ্ট বিধান সমূহ প্রতিপালন সাপেক্ষে বাংলাদেশ শ্রম আইন/২০০৬ এর ১৭৭ রেজিষ্টার অব ট্রেড ইউনিয়ন্স (যুগ্ম শ্রম পরিচালক) এর নিকট দরখাস্ত করবেন ।

 

যুগ্ম শ্রম

পরিচালকের কার্যালয়

বয়রা, খুলনা।

 

 

*যদি রেজিষ্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়ন্স ও যুগ্ম শ্রম পরিচালক উক্ত দরখাস্তে অত্যাবশ্যক কোন তথ্যের অসম্পূর্ণতা দেখতে পান তাহলে তিনি দরখাস্ত প্রাপ্তির ১৫(পনের) দিনের মধ্যে উক্ত বিষয়ে আপত্তি সংশ্লিষ্ট ট্রেড ইউনিয়নকে লিখিত ভাবে জানাবেন এবং ট্রেড ইউনিয়ন তা প্রাপ্তির ১৫(পনের) দিনের মধ্যে আপত্তির জবাব দিবে।

 

 

 

 

* রেজিষ্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়ন্স ওযুগ্ম শ্রম পরিচালক কর্তৃক উত্থাপিত আপত্তি সন্তোষজনকভাবে মিটানো হলে রেজিষ্ট্রিকরণের জন্য দরখাস্ত প্রাপ্তির ৬০(ষাট) দিনের মধ্যে নির্ধারিত ফরমে একটি রেজিষ্ট্রিকরণ প্রত্যয়নপত্র প্রদান করা হবে।

 

 

 

 

*যদি আপত্তি বা আপত্তি সমূহ সন্তোষজনক/ আইনানুগভাবে মিটানো না হয়, তাহলে শ্রম আইনের ১৮২(৩) ধারা মতে রেজিষ্ট্রিকরণের দরখাস্তটি প্রত্যাখ্যান করা যাবে।

 

*যে ক্ষেত্রে রেজিষ্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়ন্স ওযুগ্ম শ্রম পরিচালক কর্তৃক কোন দরখাস্তপ্রত্যাখ্যান করেন অথবা আপত্তি মিটানোর পরেও আইনে উল্লিখিত ৬০(ষাট) দিন সময়সীমার মধ্যে রেজিষ্ট্রি প্রদান না করেন সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ট্রেড ইউনিয়ন উক্তরূপ প্রত্যাখ্যানের তারিখ অথবা উল্লিখিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার তারিখের পর শ্রম আইনের ১৮২(৬) ধারা অনুযায়ী ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে শ্রম আদালতে আপীল করতে পারে।

 

 

 

 

*শ্রম আদালত আপীলটি শুনানীর পর তা উপযুক্ত বিবেচনা করলে রায়ের/কারণ লিপিবদ্ধ করে যুগ্ম শ্রম পরিচালককে ট্রেড ইউনিয়নের রেজিষ্ট্রেশন প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে অথবা আইনানুগ অসম্পূর্নতার কারণে আপীলটি খারিজ করতে পারবে।

 

 

 

 

*শ্রম আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ শ্রম আদালতের আদেশ প্রাপ্তির ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে শ্রম আপীল আদালতে আপীল দায়ের করতে পারবে এবং এ বিষয়ে আপীল আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

 

 

 

 

(খ) ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের রেজিষ্ট্রেশন

*কোন ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন রেজিষ্ট্রিকরণের জন্য পেশকৃত দরখাস্তে ফেডারেশনভুক্ত সকল ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ দস্তখত করবেন।

 

 

 

 

*ট্রেড ইউনিয়নের রেজিষ্ট্রেশন প্রদানের ক্ষেত্রে আইনের বিধানসমূহ যেরূপ প্রযোজ্য হয় ফেডারেশনের ক্ষেত্রেও একই ভাবে প্রযোজ্য হবে।

 

 

 

 

*একক ট্রেড ইউনিয়নের রেজিষ্ট্রেশন ফি ৩০০/- টাকা এবং ফেডারেশনের রেজিষ্ট্রেশন ফি ৬০০/- টাকা মাত্র।

 

২।

সি.বি.এ নির্ধারণ

*কোন প্রতিষ্ঠানে একাধিক ট্রেড ইউনিয়ন থাকলে  গোপন ব্যালটে নির্বাচন অনুষ্ঠান করে সর্বচ্চ ভোট প্রাপ্ত ইউনিয়নকে উক্তপ্রতিষ্ঠানের জন্য যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি (সি.বি.এ) ঘোষণা করতে হবে। কিন্তু একক ইউনিয়ন ২০২(১) ধারা মতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য CBA হিসেবে গণ্য।

রেজিষ্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়ন্স ওযুগ্ম শ্রম পরিচালক আইনের বিধান মোতাবেক স্ব স্ব আওতাভুক্ত এলাকার প্রতিষ্ঠান সমূহের সি.বি.এ নির্ধারণী কর্তৃপক্ষ

৩।

শিল্প বিরোধ

নিষ্পত্তিকরণ

*শ্রম আইনের ২১০ ধারা অনুযায়ী কোন মালিক অথবা যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি কর্তৃক (একে অপরের বরাবরে) শিল্প বিরোধ উত্থাপিত হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় শ্রম এবং আঞ্চলিক শ্রম দপ্তর।

 

 

* শ্রম আইনের ২১০(৩) ধারা অনুযায়ী শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে ইচ্ছুক ‘‘দু’’ পক্ষের (মালিক ও শ্রমিক) মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা সম্ভব না হলে শিল্প বিরোধ সর্ম্পকে উপযুক্ত সালিসকে অবহিত করে সালিসীর মাধ্যমে বিরোধটি নিষ্পত্তির জন্য তাকে লিখিত অনুরোধ করতে হবে।

 

 

 

 

*কোন নির্দিষ্ট এলাকা অথবা কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা শিল্পের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত/নিযুক্ত সালিসকারকের নিকট বিরোধটি উপস্থাপন করতে হবে।

 

 

 

* শ্রম আইনের ২১০(৭) ধারা অনুযায়ী সালিসকারক (কনসিলিয়েটর) কর্তৃক আহবানকৃত সভায় বিরোধের পক্ষগণ নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে হাজির হবেন এবং আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষের সম্মতির প্রেক্ষিতে বিরোধটির সমাধান হবে।

 

 

 

 

*সালিস নিষ্পত্তি করতে ব্যর্থ হলে এবং উভয় পক্ষ সম্মত হলে কোন মধ্যস্থতাকারীর নিকট বিরোধটিনিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করা যেতে পারে। উভয় পক্ষ সম্মত না হলে সালিস ব্যর্থতারজন্য ২১০(১১) ধারা মতে ৩ দিনের মধ্যে ব্যর্থতার প্রত্যয়নপত্র দিবেন।

 

 

 

 

*মধ্যস্থতাকারীর প্রদত্ত রোয়েদাদ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে এবং রোয়েদাদ প্রদানের কপি উভয় পক্ষ ও সরকারকে প্রদান করতেহবে।

 

 

 

 

*সংক্ষুদ্ধ কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিয়ম তান্ত্রিকভাবে শ্রম আদালতে যেতে পারে।

 

 

৪।

আঞ্চলিক শ্রম দপ্তর

*আঞ্চলিক শ্রম দপ্তর আঞ্চলিক পর্যায়ে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তি করে এবং বিভাগীয় অফিসের নির্দেশে শ্রম আইনের আলোকে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন।

 

 

৫।

শ্রম কল্যাণমূলক

কর্মসূচী পরিচালনা

*খুলনা ও বরিশাল বিভাগে বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত ০৫ টি শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে শ্রমিকদের কল্যাণ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচী পরিচালিত হয়ে আসছে।

 

 

 

 

*শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র সমূহে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সেবা, পরিবার-পরিকল্পনা সেবা, চিত্তবিনোদন সেবা ও প্রশিক্ষণ প্রদান ইত্যাদি শ্রম কল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম রয়েছে।

 

 

 

 

*শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রসমূহ থেকে শ্রমিক ও শ্রমিক পরিবারের সদস্যগণ বিনামূল্যে চিকিৎসা পেয়ে থাকেন।

 

 

 

 

*শ্রমিক পরিবারকে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কর্তৃক পরিবার পরিকল্পনা সর্ম্পকে পরামর্শ প্রদান ও পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী প্রাপ্তির বিষয়ে সহায়তা করা হয়।

 

 

 

 

*কেন্দ্রের শ্রম কল্যাণ সংগঠকগণ শ্রমিকদের সংগঠিত করেন এবং শ্রমিক কলোনীগুলো পরিদর্শন করে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান করে থাকেন।

 

 

 

 

* শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রসমূহে বিভিন্ন প্রকার চিত্ত বিনোদন সামগ্রী (সংবাদপত্র, টিভি, বই-পুস্তক, খেলাধুলার সরঞ্জাম) থাকে। শ্রমিক ও শ্রমিক পরিবারের সদস্যগণ এগুলোর সুবিধা গ্রহন করতে পারেন।

 

 

 

 

*শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রে শ্রমিকদের জন্য ‘‘শ্রমিক প্রশিক্ষণ কোর্স’’ শীর্ষক ১(এক) সপ্তাহ মেয়াদী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকে। এ প্রশিক্ষনের মাধ্যমে শ্রমিকরা দেশের শ্রম আইন, শ্রমিকের অধিকার ও দায়িত্ব, উৎপাদনশীলতা, কর্মপরিবেশ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞান লাভ করতে পারে।

 

 

৬।

প্রশিক্ষণ প্রদান

*পুরাতন বিভাগীয় শহর খুলনায় ১টি শিল্প সর্ম্পক শিক্ষায়তনে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালিত হয়। তন্মধ্যে নিম্নোক্ত দু’টি কোর্স অন্যতমঃ-

শিল্প সর্ম্পক

শিক্ষায়তন, (আই.আর.আই)

মীরেরডাঙ্গা, খৃলনা ।

 

 

(ক) ৪ সপ্তাহব্যাপী শিল্প সর্ম্পক কোর্সঃ

 

শিল্পোদ্যোক্তা প্রতিনিধি, ব্যবস্থাপনা প্রতিনিধি এবং শ্রমিক প্রতিনিধিগণ এ কোর্সে অংশগ্রহন করে থাকেন। শ্রম আইন, শিল্প সর্ম্পক, শ্রম প্রশাসন, আন্তজাতিক শ্রম সংস্থার কার্যাবলী, বিভিন্ন শ্রম কনভেনশন এবং চলমান দেশীয় ও আন্তজাতিক শ্রম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়াদি উক্ত প্রশিক্ষণ কোর্সের পাঠক্রমের অন্তর্ভুক্ত থাকে।

 

 

 

 

(খ) শ্রমিক শিক্ষা কোর্সঃ

 

শিল্প সর্ম্পক শিক্ষায়তনসমূহে এবং বিভিন্ন কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের জন্য এক সপ্তাহ মেয়াদী এ প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করা হয়।

 

*প্রতিটি প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহনকারীগণ জন প্রতি দৈনিক টাঃ ৭০/- হারে প্রশিক্ষণ ভাতা পেয়ে থাকেন।

 

৭।

কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান হতে শ্রম সংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ

*প্রতি বছর দেশের কল-কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে শ্রম আইনের আওতায় নির্ধারিত ফরমে শ্রম সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।

 

বিভাগীয় শ্রম দপ্তরসহশ্রম পরিদপ্তর।

 

 

*প্রতি বছর সংগৃহীত তথ্য উপাত্ত সম্বলিত একটি ‘‘লেবার জার্ণাল’’ শ্রম পরিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশ করা হয়।

 

শ্রম পরিদপ্তর।